আমাদের Child Psychology কোর্স আছে। বিনামূল্যে Free Demo ক্লাস শুনতে চাইলে নাম অন্তর্ভুক্ত করে রাখতে পারেন।

🛴 ব্লগ হোমপেজ  ›  আবেগ ও আত্মবিশ্বাস

আবেগ ও আত্মবিশ্বাস

পড়াশোনার চাপ নাকি শেখার আনন্দ? সন্তানকে পড়ায় আগ্রহী করার ৪টি কৌশল

পড়তে সময় লাগবে প্রায় ৭ মিনিট  ·   ·  © পার্থ প্রতিম রায়

ভারতীয় পরিবারের ঘরে মা ও স্কুলপড়ুয়া সন্তান পাশাপাশি বসে বই দেখে হাসিমুখে কথা বলছে, পড়ায় আগ্রহ তৈরির পরিবেশ

রাত নয়টা। টেবিলে খাতার স্তূপ, কাল পরীক্ষা, আর সন্তানের মুখ ভার। আপনি বললেন, "একটু মন দিয়ে পড়ো।" সে মাথা নিচু করে খাতা খুলল, কিন্তু চোখ রইল ঘড়ির দিকে।

অনেক ঘরেই এই দৃশ্য চেনা। আমরা চাই সন্তান ভালো করুক, তাই খোঁজখবর নিই, তাড়া দিই, কখনও গলাও চড়ে যায়। অথচ মনে মনে আমরা আসলে চেয়েছিলাম সে পড়াশোনা ভালোবাসুক, শুধু নম্বর নয়।

প্রথমেই বলে রাখি, পড়াশোনার চাপ নিয়ে ভাবছেন মানেই আপনি ভুল করছেন না। বরং এটাই দেখায় আপনি সন্তানের কথা ভাবছেন। এই লেখায় চাপ আর শেখার আনন্দের তফাত বোঝার চেষ্টা করব। তারপর সন্তানকে পড়ায় আগ্রহী করার উপায় হিসেবে ৪টি ছোট কৌশল দেখব, যা পরীক্ষার চাপ সামলাতেও কাজে লাগতে পারে।

সংক্ষিপ্ত উত্তর

সন্তানকে পড়ায় আগ্রহী করতে নম্বরের বদলে কৌতূহল আর চেষ্টাকে গুরুত্ব দিন। পড়ার সময় ছোট রাখুন, পড়াকে রোজকার জীবনের সঙ্গে জুড়ুন, আর পরীক্ষার আগে শান্ত রুটিন বানান। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিজের পছন্দ আর "আমি পারছি" অনুভূতি পেলে শেখার ইচ্ছা বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

সন্তানের পড়ায় মন বসে না কেন?

পড়ায় মন না বসার কারণ অনেক ক্ষেত্রেই অলসতা নয়। পড়া যখন শুধু পরীক্ষা, নম্বর আর তুলনার সঙ্গে জড়িয়ে যায়, তখন শেখার আনন্দ চাপা পড়তে পারে। সন্তানের মনে তখন এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে, পড়ার মানে ভুল না করা, আর ভুল করা মানে বকুনি।

আবার চাপ বাইরে থেকেই আসে, এমন নয়। কখনও পড়াটা সন্তানের কাছে বেশি কঠিন লাগে, কখনও ঘুম কম হয়, কখনও ক্লাসের কোনো বিষয় ধরতে না পেরে সে লজ্জায় চুপ করে থাকে। তাই আগে দেখা দরকার, মনোযোগ কমেছে নাকি ভরসা কমেছে।

শেখার আনন্দের মনস্তত্ত্ব: তিনটি মূল কারণ

কারণ ১ — নিজের ইচ্ছার জায়গা থাকলে আগ্রহ বাড়ে

মনোবিজ্ঞানী রায়ান ও ডেসি-র আত্মনিয়ন্ত্রণ তত্ত্বে (Self-Determination Theory) বলা হয়, ভেতর থেকে শেখার ইচ্ছা তৈরিতে তিনটি জিনিস ভূমিকা রাখে: নিজের কিছু সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার সুযোগ, "আমি পারছি" অনুভূতি, আর আপনজনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বোধ। পড়ার ক্রম বা বসার জায়গা বেছে নিতে দিলে প্রথম জিনিসটা ছোট করে পূরণ হয়।

কারণ ২ — প্রশংসার ধরনে ফারাক হয়

১৯৯৮ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বুদ্ধির প্রশংসা পাওয়া শিশুরা পরে কঠিন কাজে কম লেগে থাকার এবং সহজ কাজ বেছে নেওয়ার প্রবণতা দেখিয়েছে, চেষ্টার প্রশংসা পাওয়া শিশুদের তুলনায়। এটি পরীক্ষামূলক গবেষণা, তাই সব সন্তানের ক্ষেত্রে হুবহু মিলবে, এমন নয়। ক্যারল ডুয়েকের "গ্রোথ মাইন্ডসেট" ধারণাটি জনপ্রিয় হলেও পরবর্তী গবেষণায় ফল মিশ্র, তাই এখানে বড় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। ছোট্ট কথাটা মনে রাখলেই হবে: "তুমি কত বুদ্ধিমান"-এর চেয়ে "তুমি কত চেষ্টা করলে" বলা সাধারণত নিরাপদ।

কারণ ৩ — শর্তযুক্ত পুরস্কার ভেতরের আগ্রহ কমাতে পারে

১৯৯৯ সালের একটি মেটা-বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিছু পরিস্থিতিতে, যেমন কাজের আগে ঘোষণা করা বস্তুগত পুরস্কারে, ভেতরের আগ্রহ কমার প্রবণতা ছিল। "এত নম্বর পেলে এটা কিনে দেব" ধরনের কথা তাই সতর্কভাবে বলাই ভালো। পুরস্কার একেবারে বাদ দিতে হবে, তা নয়। একসঙ্গে ছোট উদযাপন আর শর্তের দরদাম এক জিনিস নয়।

মা-বাবা অজান্তে কোন ভুলগুলো করেন?

ভালোবেসেই আমরা এসব করি, তাই নিজেকে দোষ দেওয়ার কিছু নেই। শুধু একটু লক্ষ করা দরকার।

  • স্কুল থেকে ফিরতেই প্রথম প্রশ্ন "আজ কত পেলে?" হলে সন্তান ধরে নিতে পারে, আমরা শুধু ফল নিয়েই ভাবি।
  • "অমুক কত ভালো করছে, দেখো" ধরনের তুলনা আত্মবিশ্বাস কমাতে পারে।
  • পড়াকে শাস্তির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া, যেমন "পড়ো, নইলে মোবাইল বন্ধ", পড়ার প্রতি অনীহা বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি করে।
  • বিরতি ছাড়া অনেকক্ষণ একটানা বসিয়ে রাখলে ক্লান্তি জমে, মনোযোগ আরও সরে যায়।

সন্তানকে পড়ায় আগ্রহী করার ৪টি কৌশল

চারটি একসঙ্গে শুরু করার দরকার নেই। একটা বেছে নিন, এক সপ্তাহ চালান, তারপর দেখুন কেমন লাগছে।

১নম্বরের বদলে কৌতূহলের খোঁজ নিন

কী করবেন: স্কুল থেকে ফিরে "কত পেলে?"-র বদলে জিজ্ঞেস করুন, "আজ কী নতুন জানলে?" বা "কোন প্রশ্নটা মাথায় ঘুরছে?"

কেন করবেন: কৌতূহল শেখার প্রথম ধাপ। ফলের বদলে প্রক্রিয়ায় নজর দিলে সন্তানের ওপর চাপ কমার সম্ভাবনা থাকে।

কীভাবে করবেন: সন্তান "জানি না" বললে বলুন, "ঠিক আছে, কাল একসঙ্গে খুঁজে দেখব।" উত্তর আপনারও জানা না থাকলে স্বীকার করুন। প্রশংসা করলে চেষ্টার কথা বলুন: "কঠিন প্রশ্নটা ছাড়োনি, এটা আমার ভালো লেগেছে।" দিনে পাঁচ মিনিটই যথেষ্ট।

২পড়ার সময় ছোট ও স্পষ্ট করে নিন

কী করবেন: পড়ার সময়কে ছোট ছোট ভাগে ভাঙুন, প্রতিটির শেষে একটু বিরতি রাখুন। কোন বিষয় আগে ধরবে, সেটা সন্তানকেই বেছে নিতে দিন।

কেন করবেন: নিজের কিছু সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারা আর "আমি পারছি" অনুভূতি, দুটোই ভেতর থেকে শেখার ইচ্ছাকে সাহায্য করতে পারে।

কীভাবে করবেন: বলুন, "আগে অঙ্ক না ইংরেজি, তুমি ঠিক করো।" প্রথমে ১৫ মিনিট দিয়ে শুরু করুন, দেখুন কেমন যায়। বিরতিতে জল খাওয়া বা জানালার ধারে একটু হাঁটাই যথেষ্ট।

৩পড়াকে রোজকার জীবনের সঙ্গে জুড়ে দিন

কী করবেন: ভগ্নাংশ রান্নাঘরে, যোগ-বিয়োগ বাজারে, ভূগোল রাস্তার নামে খুঁজে দেখান।

কেন করবেন: যে জিনিস রোজকার জীবনে কাজে লাগে বলে মনে হয়, তার প্রতি আগ্রহ তৈরির সম্ভাবনা বাড়ে।

কীভাবে করবেন: বলুন, "রুটিটা চার ভাগ করলে প্রতিটা কতটুকু হবে?" বা "বাজারে কত খরচ হলো, তুমি যোগ করে বলো তো।" এ ছাড়া সন্তানের পছন্দের বিষয়ের একটা ছোট বই এনে দিতে পারেন।

৪পরীক্ষার আগে চাপ কমানোর রুটিন বানান

কী করবেন: পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে থেকে ছোট ও পরিচিত একটা রুটিন করুন, যেখানে পড়া, খেলা, হালকা খাবার আর ঘুম সবই থাকবে।

কেন করবেন: ঘুম আর বিরতি মনোযোগ ও মেজাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আগের রাতে নতুন কিছু ধরতে গেলে চাপ বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

কীভাবে করবেন: বলুন, "ফল যেমনই হোক, আমরা তোমার চেষ্টাটা দেখেছি।" আগের রাতে নতুন অধ্যায় না ধরে পরিচিত অংশে চোখ বুলিয়ে নিতে বলুন। পরীক্ষার পর আগে জিজ্ঞেস করুন, "কেমন লাগল?", নম্বরের কথা পরে।

রান্নাঘরে মায়ের সঙ্গে বাজারের হিসাব মেলাচ্ছে ছোট ছেলে, রোজকার জীবনের সঙ্গে জুড়ে শেখার কৌশল

ছোট চেকলিস্ট: এই সপ্তাহে যা করে দেখতে পারেন

  • ☐ আজ অন্তত একবার "কত পেলে?"-র বদলে অন্য প্রশ্ন করেছি
  • ☐ পড়ার ক্রম বা জায়গা সন্তানকে বেছে নিতে দিয়েছি
  • ☐ একটা পড়ার বিষয় রোজকার কাজের সঙ্গে জুড়েছি
  • ☐ নম্বর নয়, চেষ্টার একটা নির্দিষ্ট কথা বলে প্রশংসা করেছি
  • ☐ পরীক্ষার আগের রাতে সময়মতো ঘুমের ব্যবস্থা করেছি
একটি বাস্তব উদাহরণ

আরভ আর অঙ্কের খাতা

ক্লাস ফাইভের আরভ অঙ্কের খাতা খুললেই মুখ ভার করত। মা মীরা রোজ স্কুল থেকে ফিরতেই জিজ্ঞেস করতেন, "আজ কত পেলি?" উত্তর না মিললে গলা একটু চড়ে যেত, তারপর নিজেরই খারাপ লাগত।

একদিন মীরা প্রশ্নটা বদলালেন: "আজ কোন অঙ্কটা সবচেয়ে মজার লাগল?" বাজারে গিয়ে আরভকে দিয়ে হিসাব করাতেন। কয়েক সপ্তাহে রাতারাতি কিছু বদলায়নি। তবে একদিন আরভ নিজেই বলল, "মা, আজকের অঙ্কটা দেখবে?" ফল নিয়ে চাপ কমল, আর খাতা খোলার সময় মুখের ভারটাও কমতে লাগল।

(নাম কাল্পনিক। এটি একটি চিত্রিত উদাহরণ।)

কখন বিশেষজ্ঞের সাহায্য প্রয়োজন?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পড়ায় অনীহা সাময়িক। তবে নিচের কোনোটি অনেক দিন ধরে চললে শিশু-মনোবিদ বা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন:

  • পরীক্ষা বা স্কুলের কথা উঠলেই বারবার পেট বা মাথা ব্যথার মতো অস্বস্তির অভিযোগ
  • স্কুলে যেতে প্রবল ভয় বা অনিচ্ছা
  • আগে যা ভালো লাগত তাতেও আগ্রহ হারানো, মন খারাপ বা কান্না বেড়ে যাওয়া
  • পড়তে, লিখতে বা গুনতে বয়সের তুলনায় লক্ষণীয় অসুবিধা, যা শিক্ষকও লক্ষ করছেন

এটা দুর্বলতা নয়, সন্তানের পাশে থাকার আরেকটা উপায়। এটি সাধারণ নির্দেশিকা, চিকিৎসক বা শিশু-মনোবিদের পরামর্শের বিকল্প নয়।

FAQ

সন্তান পড়তে বসলেই অন্য দিকে মন দেয়, কী করবেন?

আগে দেখুন, পড়াটা কি সন্তানের কাছে বেশি কঠিন লাগছে, নাকি সে ক্লান্ত। ক্লান্তি বা না বোঝার কারণে মন সরে যেতে পারে। পড়ার সময় ছোট ভাগে ভেঙে নিন আর মাঝে বিরতি রাখুন। তাতেও সমস্যা থাকলে শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলুন।

বাচ্চার পরীক্ষার ভয় কাটানোর উপায় কী?

পরীক্ষার ভয় অনেক সন্তানেরই হয়, তাই আগে ভয়টাকে স্বাভাবিক বলে মেনে নিন। ফলের চেয়ে প্রস্তুতি আর চেষ্টার কথা বলুন, আর পরীক্ষার আগে ঘুম ও খেলার সময় রাখুন। ভয় খুব বেশি হলে বা অনেক দিন থাকলে শিশু-মনোবিদের পরামর্শ নিন।

পড়ার জন্য পুরস্কার দেওয়া কি ঠিক?

ভালো কাজের পর ছোট উদযাপন, যেমন একসঙ্গে বেড়াতে যাওয়া, মন্দ নয়। কিন্তু "এত নম্বর পেলে এটা পাবে" ধরনের শর্তযুক্ত পুরস্কার কিছু ক্ষেত্রে ভেতরের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত আছে। সম্ভব হলে নম্বরের বদলে চেষ্টা আর অগ্রগতির উদযাপন করুন।

সন্তান রোজ কতক্ষণ পড়বে?

সব সন্তানের জন্য এক নিয়ম নেই। বয়স, ক্লান্তি আর বিষয়ের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। ঘণ্টা গোনার চেয়ে দেখুন, সন্তান যতক্ষণ বসছে ততক্ষণ মন দিতে পারছে কি না। ছোট সময় দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ানো ভালো।

শেষ কথা

পড়াশোনার চাপ আর শেখার আনন্দ, দুটোই এক ঘরে থাকতে পারে। কোনটা বড় হবে, তা অনেকটা নির্ভর করে আমরা কোন প্রশ্নটা বেশি করি তার ওপর। নম্বর জরুরি, কিন্তু কৌতূহল নিভে গেলে পরের ধাপগুলো কঠিন হয়ে যায়। আপনার দামি কোচিং বা নিখুঁত রুটিন লাগবে না, লাগবে সামান্য সময় আর অনেকটা ধৈর্য। আজ রাতে একটা প্রশ্নই করুন: "আজ কোন জিনিসটা জেনে তোমার অবাক লেগেছে?" তারপর শুধু শুনুন। আপনি যথেষ্ট ভালো করছেন।

আরও পড়তে পারেন

Research & References

  • Ryan, R. M., & Deci, E. L. (2000). Self-determination theory and the facilitation of intrinsic motivation, social development, and well-being. American Psychologist, 55(1), 68–78.
    কারণ ১ ও ধাপ ২-এর সূত্র: নিজের পছন্দ, সক্ষমতার অনুভূতি ও যুক্ততা ভেতরের আগ্রহে ভূমিকা রাখে।
  • Deci, E. L., Koestner, R., & Ryan, R. M. (1999). A meta-analytic review of experiments examining the effects of extrinsic rewards on intrinsic motivation. Psychological Bulletin, 125(6), 627–668.
    কারণ ৩ ও FAQ ৩-এর সূত্র: শর্তযুক্ত বস্তুগত পুরস্কার কিছু ক্ষেত্রে ভেতরের আগ্রহ কমাতে পারে।
  • Mueller, C. M., & Dweck, C. S. (1998). Praise for intelligence can undermine children's motivation and performance. Journal of Personality and Social Psychology, 75(1), 33–52.
    কারণ ২-এর সূত্র: বুদ্ধির প্রশংসা বনাম চেষ্টার প্রশংসা।
  • Dweck, C. S. (2006). Mindset: The New Psychology of Success. Random House.
    কারণ ২-এ গ্রোথ মাইন্ডসেট ধারণার উল্লেখের সূত্র। কোনো অধ্যায় বা পৃষ্ঠা উদ্ধৃত করা হয়নি।

নোট: এই তথ্যগুলো সাধারণভাবে প্রতিষ্ঠিত গবেষণা ও নির্দেশিকার উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। প্রকাশের আগে সর্বশেষ সংস্করণ যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  ব্লগের সব লেখায় ফিরে যান

লেখাটি কেমন লাগল?

আপনার মতামত, প্রশ্ন বা পরামর্শ আমাদের জানান।

✍️ আপনার মতামত জানান